গ্রাহকসেবায় পিছিয়ে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক: গভর্নর
গ্রাহকবান্ধব সেবায় এখনো পিছিয়ে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো, যার মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে সোনালী ব্যাংক। অর্থাৎ গ্রাহকসেবায় পিছিয়ে থাকার নেতৃত্ব দিচ্ছে খোদ সোনালী ব্যাংক। গ্রাহকদের সেবা দিতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে আরও কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।
বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের ৫০ বছরপূর্তি ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে গভর্নর এসব কথা বলেন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
গভর্নর বলেন, ‘হলমার্কের পর সোনালী ব্যাংকের ঋণভীতি আছে। এটা অবশ্যই কাটাতে হবে। আপনারা ভাবেন ঋণ না দিলেই বাঁচি, এটা হতে পারে না। আবার শুধু বড় বড় প্রকল্পে ঋণ দেবেন, সেটাও হবে না। এ দুই নীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আপনাদের ক্ষুদ্রঋণ আরও বাড়াতে হবে। সঠিকভাবে ঋণ দিলে কোনো ভীতি নেই।’
তিনি বলেন, ‘ঋণ প্রসেসিংয়ে সোনালী ব্যাংকের ঘাটতি রয়েছে, এটা কাটাতে হবে। সোনালী ব্যাংক ব্যাংকিং সেক্টরে নেতৃত্বে আছে বলেই গ্রাহকের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবেন, এটা হতে পারে না। এ ধরনের কোনো অভিযোগ যাতে না ওঠে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।’
গভর্নর বলেন, ‘সরকারি ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকবান্ধব সেবায় আরও এগিয়ে যেতে হবে। সোনালী ব্যাংক আমাদের কাছে আকর্ষণীয়। তাদের সেই সুনাম ধরে রাখতে যা যা করার করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সোনালী ব্যাংকে এখনো লোকসানি শাখা রয়েছে। সোনালী ব্যাংকের লোকসানি শাখা কমে এখন ১৬টিতে দাঁড়িয়েছে। আমরা আশা করবো, এটা দ্রুত শূন্যের কোটায় নেমে আসবে।’
সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রথম অর্থ সচিব মতিউল ইসলাম, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার, আর্থিকপ্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ, সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিন, ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, ড. আতিউর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের সিইও এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আতাউর রহমান প্রধান।
বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের ৫০ বছরপূর্তি ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে গভর্নর এসব কথা বলেন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
গভর্নর বলেন, ‘হলমার্কের পর সোনালী ব্যাংকের ঋণভীতি আছে। এটা অবশ্যই কাটাতে হবে। আপনারা ভাবেন ঋণ না দিলেই বাঁচি, এটা হতে পারে না। আবার শুধু বড় বড় প্রকল্পে ঋণ দেবেন, সেটাও হবে না। এ দুই নীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আপনাদের ক্ষুদ্রঋণ আরও বাড়াতে হবে। সঠিকভাবে ঋণ দিলে কোনো ভীতি নেই।’
তিনি বলেন, ‘ঋণ প্রসেসিংয়ে সোনালী ব্যাংকের ঘাটতি রয়েছে, এটা কাটাতে হবে। সোনালী ব্যাংক ব্যাংকিং সেক্টরে নেতৃত্বে আছে বলেই গ্রাহকের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবেন, এটা হতে পারে না। এ ধরনের কোনো অভিযোগ যাতে না ওঠে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।’
গভর্নর বলেন, ‘সরকারি ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকবান্ধব সেবায় আরও এগিয়ে যেতে হবে। সোনালী ব্যাংক আমাদের কাছে আকর্ষণীয়। তাদের সেই সুনাম ধরে রাখতে যা যা করার করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সোনালী ব্যাংকে এখনো লোকসানি শাখা রয়েছে। সোনালী ব্যাংকের লোকসানি শাখা কমে এখন ১৬টিতে দাঁড়িয়েছে। আমরা আশা করবো, এটা দ্রুত শূন্যের কোটায় নেমে আসবে।’
সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রথম অর্থ সচিব মতিউল ইসলাম, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার, আর্থিকপ্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ, সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিন, ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, ড. আতিউর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের সিইও এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আতাউর রহমান প্রধান।