রমজানেও চলবে করোনার টিকাদান : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চলমান টিকাদান কর্মসূচি আসন্ন রমজান মাসেও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস থেকে জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিতে রমজান মাসেও স্বাভাবিক নিয়মে টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে। টিকার প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।
জাহিদ মালিক বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি যাদের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছিল তাদের টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া চলমান থাকবে আরও তিন দিন। আমরা ৮০ শতাংশ টিকা দেওয়ার লক্ষ্যে টিকার বিশেষ ক্যাম্পেইন কার্যক্রম আরও তিন দিন চালাব।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে ডিজিটালাইসড করা হবে। আমরা প্রত্যেকটি হাসপাতালকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনব এবং তা সেন্ট্রালি নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন— স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সনাল, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজ প্রমুখ।
মন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস থেকে জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিতে রমজান মাসেও স্বাভাবিক নিয়মে টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে। টিকার প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।
করোনারোধী টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে ২৮ মার্চ, যা ৩১ মার্চ শেষ হওয়ার কথা ছিল। এটি আরও তিন দিন বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
জাহিদ মালিক বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি যাদের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছিল তাদের টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া চলমান থাকবে আরও তিন দিন। আমরা ৮০ শতাংশ টিকা দেওয়ার লক্ষ্যে টিকার বিশেষ ক্যাম্পেইন কার্যক্রম আরও তিন দিন চালাব।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে ডিজিটালাইসড করা হবে। আমরা প্রত্যেকটি হাসপাতালকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনব এবং তা সেন্ট্রালি নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন— স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সনাল, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজ প্রমুখ।