‘তিন হাজার ২০ কোটি টাকার কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্প গ্রহণ করেছি’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কৃষিক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করেছি। পাঁচ বছর (২০২০-২৫) মেয়াদে ৩ হাজার ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছি।
এই প্রকল্পের আওতায় ১২ ক্যাটাগরিতে ৫১ হাজার ৩০০টি কৃষিযন্ত্র বিতরণ করা হবে বলে জানান তিনি।
বুধবার (২০ এপ্রিল) কৃষক লীগের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে যুক্ত হন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যখন বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল, তখন আমাদের দেশের কিছু মানুষ বিদেশের কাছে নানাভাবে অপপ্রচার চালিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ব্যস্ত। সরকার উৎখাতে ব্যস্ত। খুব ভালো কথা। তারা তাদের কর্মসূচি দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরুক, তারা দেশের জন্য কী করতে চায়। আমরা তো আমাদের কর্মসূচি তুলে ধরেছি।
তিনি বলেন, গ্রাম পর্যায়ে মানুষ এই সরকারের মাধ্যমে উপকার পাচ্ছে, তারা যে সরকার উৎখাত করতে চায়, তাদের উদ্দেশ্য কী? আমার একটা প্রশ্ন- আমাদের অপরাধটা কী?
তিনি আরও বলেন, কৃষক বন্ধু ফোন সেবা (৩৩৩১), কৃষকের জানালা, কৃষি কল সেন্টার (১৬১২৩), ইত্যাদির মাধ্যমে কৃষকদের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করেছি। কৃষি সেবাকে সহজে পৌঁছে দিতে ‘কৃষি বাতায়ন’ তৈরি করা হয়েছে। ৪৯৯টি কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র (এআইসিসি) স্থাপন, কৃষি কমিউনিটি রেডিও চালু, ই-কৃষি সেবায় ফসলের মাঠ থেকে ছবি তুলে অ্যাপের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিলেই সমস্যা চিহ্নিত করে সঙ্গে সঙ্গেই সমাধান দেওয়া হচ্ছে।
কৃষক লীগের সভাপতি সমীর চন্দের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য দেন- সাবেক সভাপতি এম এ জলিল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মানু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ হাওলাদার, সাবেক সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি প্রমুখ।