চট্টগ্রাম বন্ড কমিশনারেট সূত্র গণমাধ্যমে জানায়, সদ্য শেষ হওয়া অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৮ কোটি টাকা এবং আগের বছরের চেয়ে ১৭৮ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। প্রবৃদ্ধির হার ২২ দশমিক ২২ শতাংশ। আগের ২০২০-২১ অর্থবছরেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৫১ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছিল সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি। ওই বছর ৮০১ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়।
পাশাপাশি ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরে ৯১টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ২২০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা রাজস্ব দাবির মামলা হয়। এর মধ্যে আদায় করা হয় ২০৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা। একই সময়ে ৫০টি প্রতিষ্ঠানের ৩ হাজার ১৪৮ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার বিষয়টি উদঘাটিত হয়।
চট্টগ্রাম কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের কমিশনার এ কে এম মাহবুবুর রহমান গণমাধ্যমে বলেন, বন্ড কমিশনারেটের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস চেষ্টায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি আরও বেশি আদায় করতে সক্ষম হয়েছি। নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি বন্ডেড ওয়্যারহাউজ পরিদর্শনসহ প্রতিরোধমূলক তৎপরতা বাড়ানোর কারণে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতিরোধমূলক তৎপরতার মাধ্যমে ২০৯ কোটি টাকার রাজস্ব এসেছে, যা মোট রাজস্ব আয়ের ২১ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
দেশের রপ্তানি আয়কে আরও গতিশীল করার জন্য রপ্তানিকারকদের বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা নিশ্চিতে বন্ড কমিশনারেট নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।