Ortho Songbad আর্কাইভ

“দেশ পরিচালনায় নতজানু হওয়ার নজির আওয়ামী লীগের নেই”

“দেশ পরিচালনায় নতজানু হওয়ার নজির আওয়ামী লীগের নেই”
বিদেশিদের কাছে নালিশ আর প্রকাশ্যে বিভিন্ন দূতাবাসে সাহায্য চাওয়াই বিএনপির মেরুদণ্ডহীন রাজনীতির সুস্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ব্রিফিংকালে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশ পরিচালনায় নতজানু হওয়ার নজির আওয়ামী লীগের নেই। এমন নজির রয়েছে বিএনপির। তারা কথায় কথায় দেশের বিরুদ্ধে বিদেশিদের কাছে নালিশ করে, আর দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশিদের হস্তক্ষেপের অনুরোধ করে।

‘বিএনপি দেশকে পরনির্ভরশীল ও নতজানু হিসেবে দেখতে চায়, তাঁবেদার হয়ে থাকতে চায়। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ চায় দেশকে মর্যাদাশীল, সমৃদ্ধ অবস্থানে উন্নীত করতে।’

বাংলাদেশের সীমানায় মিয়ানমারের মর্টার শেল নিক্ষেপের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ঘটনার শুরুতেই বাংলাদেশ মিয়ানমারের কাছে জবাব চেয়েছিল ও প্রতিবাদ জানিয়েছিল। সে দেশের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছিল।

‘তখন মিয়ানমার জানিয়েছিল, মর্টার শেলটি ভুলক্রমে বাংলাদেশের সীমানায় গিয়ে পড়ে। ভবিষ্যতে তারা সতর্ক থাকবেন বলে বাংলাদেশকে জানিয়েছিলেন। আবারও একই ঘটনা ঘটায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইন ও প্রটোকলের আলোকে খতিয়ে দেখছে।‘

এ ঘটনা মিয়ানমারের বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ফলে ভুলক্রমে ঘটেছে, নাকি উস্কানিমূলক তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র। এদেশের প্রতি ইঞ্চি মাটি শেখ হাসিনার সরকারের কাছে নিজের অস্তিত্বের মতো। বাংলাদেশ চায় যেকোনো সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান। প্রধানমন্ত্রী গতকালও লন্ডনে এ বিষয়ে কথা বলেছেন।
ওবায়দুল কাদেরের মতে, নানান অপকর্মের জন্য দেশের মানুষ এখনো বিএনপির ওপর ক্ষুব্ধ। দলটি আবারও সন্ত্রাসের পথে হাঁটছে, উস্কানি দিচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও পুলিশকে।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা একদিকে বলছেন, তাদের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। আবার যখন সুযোগ পান, তখন তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন না করে সন্ত্রাসের পথ বেছে নিচ্ছেন।

‘তারা পুলিশকে আক্রমণের টার্গেট করে নিয়েছে। বিএনপিকে আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি থেকে সরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।’

এর আগে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে তার দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ভি মান্টিস্কি।

এসময় রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে সড়ক উন্নয়নে অংশীদার হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তারা বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও দুই দেশের মধ্যকার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।

মুল সাইট থেকে

পুজিবাজার