Ortho Songbad আর্কাইভ

পাঁচ-ছয়দিন একটি ঘরের মধ্যে বন্দী ছিলাম: মোস্তাফিজ

পাঁচ-ছয়দিন একটি ঘরের মধ্যে বন্দী ছিলাম: মোস্তাফিজ
বায়ো-বাবলের কঠোর নিয়ম-কানুনে হাঁপিয়ে উঠেছেন বলে আইপিএলের আগেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন দুই অসি ক্রিকেটার। এরপর আইপিএলের মাঝপথে দেশে ফিরে গিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার তিন এবং ইংল্যান্ডের এক ক্রিকেটার। বিসিসিআই তবুও বলছিল, বায়ো-বাবল নিরাপদ। আইপিএল চলবে।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর পারা যায়নি। করোনার গ্রাসে স্থগিত হয়ে যায় আইপিএলের ১৪তম আসর। কিন্তু এবারের আইপিএল স্থগিত হওয়ার পর দেশে ফিরে বায়ো-বাবল নিয়ে বোমা ফাটালেন রাজস্থান রয়্যালসে খেলা মোস্তাফিজুর রহমান।

ভারতীয় ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মোস্তাফিজ বলেন, ‘বায়ো-বাবলে থাকাটা খুব ক্লান্তিকর ছিল। দিনদিন অবস্থার আরও অবনতি হচ্ছিল। হোটেল থেকে মাঠ আবার মাঠ থেকে হোটেল, এটা আপনি কতদিন উপভোগ করবেন? আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হোক কিংবা আইপিএল, পরিস্থিতি সব জায়গায় একই রকম।’

আইপিএলের বায়ো-বাবল নিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো এক দলের একজন সদস্য করোনা পজিটিভ হওয়ার পর আমাদের প্রায় পাঁচ-ছয়দিন একটা ঘরে কার্যত বন্দী ছিলাম। কিন্তু আমাদের কিছুই করার নেই এখন। ভারতে কোয়ারেন্টাইনে থেকে বিশেষ বিমানে এখানে এসেও (ঢাকায়) সেই কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে।’

মূলতঃ মার্চ মাস থেকেই বায়ো-বাবলের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে মোস্তাফিজদের। নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন করতে হয়েছে তাকে। সেখান থেকে ঢাকা ফিরেই যেতে হয়েছে ভারতে। মুম্বাই গিয়ে আরও সাত দিনের কোয়ারেন্টাইন। মোস্তাফিজ বলতে গেলে হাঁফিয়ে উঠেছেন।

এবার আবার আইপিএল থেকে ফিরে দেশের মাটিতে কোয়ারেন্টাইন করতে হচ্ছে ১৪ দিনের। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়েই মোস্তাফিজ সময় কাটিয়ে দিচ্ছেন রাজধানীর একটি বিলাশবহুল হোটেলে। সাকিব আল হাসান একা রয়েছেন অন্য আরেকটি হোটেলে।

এবারের আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে খেলতে নামেন মোস্তাফিজ। স্থগিত হওয়ার আগে ৭ ম্যাচের মধ্যে তিনটি জিতে নিয়ে প্রথম পর্বের শেষে লিগ টেবিলে পাঁচ নম্বরে ছিল মোস্তাফিজের ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজস্থান। ৭ ম্যাচে ৮টি উইকেট নেন তিনি। গড় ছিল ২৮ এবং ইকোনোমি রেট ছিল ৮.২৯ করে।

মুল সাইট থেকে

পুজিবাজার