৯ মাসে ট্রেনে ছোড়া হয়েছে ১১০ পাথর
২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত চলন্ত ট্রেনে ১১০টি পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রেনের জানালার গ্লাস ভেঙেছে ১০৩টি এবং আহত হয়েছেন ২৯ জন রেলযাত্রী ও কর্মী।
রোববার (০৩ অক্টোবর) রেলভবনের যমুনা সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এসব তথ্য জানান। চলন্ত ট্রেনে ঢিল বা পাথর নিক্ষেপ রোধে রেলওয়ের নেওয়া ব্যবস্থা ও মিডিয়ার ভূমিকার ওপর এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ একটি ভয়াবহ সমস্যা। বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ডের মতো উন্নত দেশগুলোতেও এই সমস্যা রয়েছে। সেখানে ট্রেনের জানালায় নিক্ষেপ করা বড় পাথর দ্বারা যাত্রী এবং ট্রেনের কর্মীরা আহত হয়েছেন। এ বিষয়টি বলার কারণ—উন্নত বিশ্বেও এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে থাকে। চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বর্তমানে বাংলাদেশের ভয়াবহ সমস্যা।
সমস্যা সমাধানে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে পাথর নিক্ষেপপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। পূর্বাঞ্চলের চারটি জেলার পাঁচটি চিহ্নিত এলাকা হলো: চট্টগ্রামের পাহাড়তলী, সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড, ফেনীর ফাজিলপুর-কালীদহ এবং নরসিংদী জেলার নরসিংদী, জিনারদী ও ঘোড়াশাল এলাকা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন রেল সচিব সেলিম রেজা, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার প্রমুখ।
রোববার (০৩ অক্টোবর) রেলভবনের যমুনা সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এসব তথ্য জানান। চলন্ত ট্রেনে ঢিল বা পাথর নিক্ষেপ রোধে রেলওয়ের নেওয়া ব্যবস্থা ও মিডিয়ার ভূমিকার ওপর এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ একটি ভয়াবহ সমস্যা। বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ডের মতো উন্নত দেশগুলোতেও এই সমস্যা রয়েছে। সেখানে ট্রেনের জানালায় নিক্ষেপ করা বড় পাথর দ্বারা যাত্রী এবং ট্রেনের কর্মীরা আহত হয়েছেন। এ বিষয়টি বলার কারণ—উন্নত বিশ্বেও এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে থাকে। চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বর্তমানে বাংলাদেশের ভয়াবহ সমস্যা।
সমস্যা সমাধানে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে পাথর নিক্ষেপপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। পূর্বাঞ্চলের চারটি জেলার পাঁচটি চিহ্নিত এলাকা হলো: চট্টগ্রামের পাহাড়তলী, সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড, ফেনীর ফাজিলপুর-কালীদহ এবং নরসিংদী জেলার নরসিংদী, জিনারদী ও ঘোড়াশাল এলাকা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন রেল সচিব সেলিম রেজা, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার প্রমুখ।