ফেব্রুয়ারিতে উৎপাদনে ফিরছে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল

ফেব্রুয়ারিতে উৎপাদনে ফিরছে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল
আগামী ফেব্রুয়ারিতে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলকে উৎপাদনে ফেরাতে চায় আলিফ গ্রুপ। এ লক্ষ্যে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলের ব্যাংকের দায়দেনা পরিশোধসহ যন্ত্রপাতি বিএমআরই করে উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে কোম্পানিটিকে উৎপাদনে ফেরাতে গ্যাস সংযোগ পুনঃস্থাপন বড় চ্যালেঞ্জ। এই সমস্যা সমাধান হলেই আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলকে উৎপাদনে ফেরানো সম্ভব হবে।

সোমবার (১ নভেম্বর) ‘বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা’ নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আলিফ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আজিমুল ইসলাম এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, ব্যাংকের দায়দেনা পরিশোধের পর যন্ত্রপাতি বিএমআরই বা উৎপাদনের জন্য তৈরি করা হবে। এজন্য দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে। এ ছাড়া গ্যাস সংযোগ পুনঃস্থাপন করতে পারলে আশা করছি আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই উৎপাদনে যেতে পারব।

আজিমুল ইসলাম বলেন, সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল গত ৫ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। সুদসহ ব্যাংকের দেনা রয়েছে ২৫০ কোটি টাকা। আর সুদ ছাড়া ২২ কোটি ৫০ হাজার টাকা দেনা রয়েছে। কোম্পানিটির কিছু অব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি রয়েছে এবং কিছু যন্ত্রপাতির কোন খোঁজ নেই, আবার কিছু যন্ত্রপাতি এখনও ব্যবহার উপযোগী করা হয়নি। এ ছাড়াও কোম্পানির কারখানার গ্যাস লাইনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন, বন্ড লাইসেন্স স্থগিত, সম্পদ বণ্টনে অসামঞ্জস্যতা এবং বর্তমান উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে মাত্র ৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

তিনি বলেন, কোম্পানিটি চালু করতে প্রাথমিকভাবে ৩০ থেকে ৬০ কোটি টাকা প্রয়োজন। এ জন্য শিগগিরই একটি শেয়ার মানি ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট খোলা হবে। যেখানে শেয়ার মানি ডিপোজিট হিসাবে বেঁধে দেয়া অর্থ জমা রাখা হবে। এই অর্থ ব্যাংক ঋণ নিয়মিতকরণে ব্যবহার করা হবে। ফ্যাক্টরি ও যন্ত্রপাতির বিএমআরইতে ব্যয় হবে। পুনরায় গ্যাস লাইন চালু করতে ও বন্ড লাইসেন্স স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে ব্যয় হবে এবং কোম্পানির কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে ব্যয় হবে।

আলিফ গ্রুপের এমডি বলেন, শেয়ার মানি ডিপোজিট হিসাবে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলের জমা করা অর্থ সাধারণ শেয়ারে রূপান্তর করা হবে। যা ডিএসইতে লেনদেন হওয়া সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলের শেয়ারের এক বছরের মূল্যমানের সমান হবে। এটি বিএসইসির অনুমোদনক্রমে বাস্তবায়িত হবে।

সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলের বর্তমান পরিচালকদের হাতে মাত্র ৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উল্লেখ করে মো. আজিমুল ইসলাম বলেন, সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণের শর্ত পূরণে এই মূলধন বৃদ্ধি, সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এরপরও এ শর্ত পূরণ না হলে বাজার থেকে বাকি শেয়ার কিনতে হবে। শেয়ার কখনোই বিক্রয়যোগ্য নয়। এই প্রক্রিয়ায় কোম্পানি পুনরায় চালুর জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ করা যাবে।

সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল নিয়ে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, চট্টগ্রামে কোম্পানির কারখানা পুনরায় চালুর পর এর ধারণ ক্ষমতা আবারো সম্প্রসারণ করতে চাই। বর্তমানে কোম্পানির ২১৬ শতাংশ ভূমি রয়েছে। যা কোম্পানি সম্প্রসারণের জন্য যথেষ্ট নয়। এজন্য ঢাকায় আমাদের অন্যান্য কারখানার কাছে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলের কারখানা স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যবসা বাড়াতে নতুন যন্ত্রপাতি আমদানির পরিকল্পনাও রয়েছে।

আর্কাইভ থেকে

আরও পড়ুন

ইবনে সিনা ফার্মার লভ্যাংশ ঘোষণা
নগদ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স
তিন ব্যাংকের ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন
ব্লকে ৬১ কোটি টাকার লেনদেন
জিকিউ বলপেনের সর্বোচ্চ দরপতন
দর বৃদ্ধির শীর্ষে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
লেনদেনের শীর্ষে সোনালী পেপার
সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন ৬৯৬ কোটি টাকা
চারদিনের ছুটিতে ব্যাংক ও পুঁজিবাজার
দুই কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন