পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করলো চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ
স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আর বাকি মাত্র দুদিন। পদ্মার দুপাড় থেকে শুরু করে সারাদেশে সেতুকে ঘিরে উচ্ছ্বাস। এরই মধ্যে সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করেছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড (এমবিইসি)। বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের।
তিনি বলেন, ঠিকাদার তার কাজ শেষ করে সেতু বুঝিয়ে দিয়েছে। তবে যে কোনো অবকাঠামোর ক্ষেত্রে ছোটখাটো কাজ থাকবে। আগামী একবছর ধরে তারা সে কাজ ‘ডিফেক্ট লায়াবিলিটি পিরিয়ড’ করবে।
এদিকে সেতুর উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজ মুন্সিগঞ্জের পদ্মাপাড়ে। উদ্বোধন ও সমাবেশ হবে মাওয়ায়। তাই প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে। পদ্মা সেতু উত্তর থানা সংলগ্ন অনুষ্ঠান স্থল ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে চলছে সাজসজ্জা। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতু ২৫ জুন সকালে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন ২৬ জুন ভোরে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে বহুল প্রত্যাশিত এই মেগাস্ট্রাকচার।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সেতুতে ১৩ ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে। তবে নসিমন, করিমন, ভটভটি ও সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করতে পারবে না। এমনকি হেঁটেও মানুষ যাতায়াত করতে পারবে না।
এরই মধ্যে পদ্মা সেতুতে গাড়ি পারাপারে টোল নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে কোন ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে তাও নির্দিষ্ট করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, ঠিকাদার তার কাজ শেষ করে সেতু বুঝিয়ে দিয়েছে। তবে যে কোনো অবকাঠামোর ক্ষেত্রে ছোটখাটো কাজ থাকবে। আগামী একবছর ধরে তারা সে কাজ ‘ডিফেক্ট লায়াবিলিটি পিরিয়ড’ করবে।
এদিকে সেতুর উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজ মুন্সিগঞ্জের পদ্মাপাড়ে। উদ্বোধন ও সমাবেশ হবে মাওয়ায়। তাই প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে। পদ্মা সেতু উত্তর থানা সংলগ্ন অনুষ্ঠান স্থল ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে চলছে সাজসজ্জা। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতু ২৫ জুন সকালে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন ২৬ জুন ভোরে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে বহুল প্রত্যাশিত এই মেগাস্ট্রাকচার।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সেতুতে ১৩ ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে। তবে নসিমন, করিমন, ভটভটি ও সিএনজি অটোরিকশা চলাচল করতে পারবে না। এমনকি হেঁটেও মানুষ যাতায়াত করতে পারবে না।
এরই মধ্যে পদ্মা সেতুতে গাড়ি পারাপারে টোল নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে কোন ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে তাও নির্দিষ্ট করে দিয়েছে।