জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ঢাকায়
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট ঢাকায় পৌঁছেছেন। রোববার (১৪ আগস্ট) সকাল ১০টা ২০ মিনিটে তিনি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানান।
সরকারের আমন্ত্রণে চার দিনের সফরে এসেছেন তিনি। মানবাধিকার পরিস্থিতি দেখতে তাকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ব্যাচেলেট সফরে এসে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত জাদুঘর পরিদর্শন করবেন। পরে তিনি কক্সবাজারের একাধিক রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে যাবেন।
সফরকালে মিশেল ব্যাচেলেট পররাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে তার।
অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জনগণের শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষণাবেক্ষণ, রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের মতো প্রতিবন্ধকতাগুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করার ক্ষেত্রে সফরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে গণমাধ্যমে জানান সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া, জানানো হবে ১৬৫ মিলিয়নের দেশ বাংলাদেশ গৃহহীনদের প্রায় এক মিলিয়ন বাড়ি দেওয়ার সামর্থ্য রাখে। সামাজিক নিরাপত্তা সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় ১০ মিলিয়নেরও বেশি পরিবার খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ পাচ্ছে।
সরকারের আমন্ত্রণে চার দিনের সফরে এসেছেন তিনি। মানবাধিকার পরিস্থিতি দেখতে তাকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ব্যাচেলেট সফরে এসে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত জাদুঘর পরিদর্শন করবেন। পরে তিনি কক্সবাজারের একাধিক রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে যাবেন।
সফরকালে মিশেল ব্যাচেলেট পররাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে তার।
অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জনগণের শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষণাবেক্ষণ, রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের মতো প্রতিবন্ধকতাগুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করার ক্ষেত্রে সফরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে গণমাধ্যমে জানান সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া, জানানো হবে ১৬৫ মিলিয়নের দেশ বাংলাদেশ গৃহহীনদের প্রায় এক মিলিয়ন বাড়ি দেওয়ার সামর্থ্য রাখে। সামাজিক নিরাপত্তা সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় ১০ মিলিয়নেরও বেশি পরিবার খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ পাচ্ছে।