স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্থগিত পরীক্ষা নেবে চবি
করোনাভাইরাসের কারণে আটকে থাকা বিভিন্ন বিভাগের অসমাপ্ত পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিগগির নেয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) কর্তৃপক্ষ। রবিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান। তবে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আবাসিক হলগুলো বন্ধ থাকবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান,স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনার কারণে আটকে থাকা পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।এ বিষয়ে চবি উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে । এসময় আবাসিক হলগুলো বন্ধ থাকবে।পরীক্ষা সশরীরে নেওয়ার বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। বিভাগীয় সভাপতিরা শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে সুবিধামতো সময়ে পরীক্ষার রুটিন দিবেন।
জানা গেছে, করোনাভাইরাসের কারণে যে সকল বিভাগের পরীক্ষা আটকে আছে সে সকল বিভাগের চেয়ারম্যান শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে। আর যে সকল বিভাগের পরীক্ষা গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে কোন পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি সে সকল বিভাগের পরীক্ষা ক্রমান্বয়ে গ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ প্রথমে অসমাপ্ত পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে, তারপর যাদের একটিও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি কিন্তু সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল তাদের পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
অর্থসংবাদ/এ এইচ আর
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান। তবে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আবাসিক হলগুলো বন্ধ থাকবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান,স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনার কারণে আটকে থাকা পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।এ বিষয়ে চবি উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে । এসময় আবাসিক হলগুলো বন্ধ থাকবে।পরীক্ষা সশরীরে নেওয়ার বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। বিভাগীয় সভাপতিরা শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে সুবিধামতো সময়ে পরীক্ষার রুটিন দিবেন।
জানা গেছে, করোনাভাইরাসের কারণে যে সকল বিভাগের পরীক্ষা আটকে আছে সে সকল বিভাগের চেয়ারম্যান শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে। আর যে সকল বিভাগের পরীক্ষা গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে কোন পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি সে সকল বিভাগের পরীক্ষা ক্রমান্বয়ে গ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ প্রথমে অসমাপ্ত পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে, তারপর যাদের একটিও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি কিন্তু সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল তাদের পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
অর্থসংবাদ/এ এইচ আর