শিক্ষার্থীরা জানান, ঢাবির অধিকাংশ শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। তারা বর্তমানে গ্রামে অবস্থান করছেন। পরীক্ষার জন্য ঢাকায় এসে আবাসন নিশ্চিত করা তাদের অনেকের পক্ষে সম্ভব না। তাই সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দেয়া হোক।
তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ইকরাম খান বলেন, পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত অবশ্যই ইতিবাচক। কিন্তু হল না খুললে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা শিক্ষার্থীরা বিড়ম্বনায় পড়বে। তাই প্রশাসনকে হল খুলে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। প্রয়োজনে শুধু অনার্স শেষ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দেওয়া হোক। পর্যায়ক্রমে যাদের পরীক্ষা শুধু তাদের হলে রাখা যেতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজামান বলেন, অনেকের আবাসিক অসুবিধা থাকলেও মহামারী পরিস্থিতি বিবেচনা জীবনের ঝুঁকি ও স্বাস্থ্যের ঝুঁকির চেয়ে কষ্টটা খারাপ না। আমাদের কাছে, আমাদের শিক্ষার্থীদের জীবন ও স্বাস্থ্য সর্বাগ্রে। কষ্ট জীবনে কোনো কোনো সময় করতে হয়। তবে স্বাস্থ্য বা জীবনের ঝুকি কোনোক্রমেই গ্রহণ করা যায়।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের এক সভায় ২৬ ডিসেম্বর থেকে অসমাপ্ত পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, পরীক্ষার সময় আবাসিক হল বন্ধ থাকবে এবং পরীক্ষার সময় হবে অর্ধেক। এছাড়া বিভাগ চাইলে কম বিরতি ও দিনে দুইটা পরীক্ষা নিতে পারবে।