ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন মোদি
ফের এক সঙ্গে হচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তবে এবার তাদের দেখা হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াসে’র কারণে। সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড়ে পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনেই যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি।
শুক্রবার (২৮ মে) আকাশপথে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশায় যাবেন তিনি।
নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, ইয়াসের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করার পাশাপাশি ত্রাণ ও পুনর্বাসন নিয়ে মোদি ও মমতার মধ্যে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
এদিন ভদ্রক ও বালেশ্বরের পাশাপাশি তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত অঞ্চল ঘুরে দেখবেন। সেখান থেকে পশ্চিমবঙ্গের কলাইকুণ্ডা বিমানঘাঁটিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার মমতা নিজেই এই বৈঠকের কথা জানান।
নরেন্দ্র মোদি রাজ্যে আসার আগেই মমতা শুক্রবার সকাল থেকে ২৪ পরগনা জেলায় আকাশপথে দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করবেন।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলায় ৪০০ কোটি টাকা দেয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ওড়িশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশকে দেয়া হবে ৬০০ কোটি টাকা।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানান, ঘূর্ণিঝড়ে রাজ্যের প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তিনি পশ্চিমবঙ্গের জন্য বরাদ্দ ৪০০ কোটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেন।সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
শুক্রবার (২৮ মে) আকাশপথে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশায় যাবেন তিনি।
নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, ইয়াসের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করার পাশাপাশি ত্রাণ ও পুনর্বাসন নিয়ে মোদি ও মমতার মধ্যে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
এদিন ভদ্রক ও বালেশ্বরের পাশাপাশি তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত অঞ্চল ঘুরে দেখবেন। সেখান থেকে পশ্চিমবঙ্গের কলাইকুণ্ডা বিমানঘাঁটিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার মমতা নিজেই এই বৈঠকের কথা জানান।
নরেন্দ্র মোদি রাজ্যে আসার আগেই মমতা শুক্রবার সকাল থেকে ২৪ পরগনা জেলায় আকাশপথে দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করবেন।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলায় ৪০০ কোটি টাকা দেয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ওড়িশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশকে দেয়া হবে ৬০০ কোটি টাকা।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানান, ঘূর্ণিঝড়ে রাজ্যের প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তিনি পশ্চিমবঙ্গের জন্য বরাদ্দ ৪০০ কোটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেন।সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া