ক্যামেরুনে বিদ্রোহীদের হামলায় ১৫ সেনা নিহত
আফ্রিকার দেশ ক্যামেরুনে বিদ্রোহীদের হামলায় দেশটির ১৫জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া পৃথক আরেকটি হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক মানুষও নিহত হয়েছেন। দেশটির ইংরেজিভাষী পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকায় এই হামলা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে ক্যামেরুনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ভারী অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত সন্ত্রাসীরা গত ১৬ সেপ্টেম্বর দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ব্যামেসিং শহরে এলিট র্যাপিড ইন্টারভেনশন ফোর্সের কনভয়ে হামলা করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিদ্রোহীরা আইইডি এবং অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট লঞ্চার ব্যবহার করে সেনা কনভয়ের গাড়িগুলো ধ্বংস করে দেয় এবং এরপরই প্রবল গুলিবর্ষণ শুরু করে। এতেই সেনা নিহতের ওই ঘটনা ঘটে। এছাড়া গত ১২ সেপ্টেম্বর ওই একই অঞ্চলের কুমবো এলাকায় অবস্থিত সামরিক ঘাঁটিতেও আইইডি দিয়ে হামলা করা হয়।
ক্যামেরুনে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে অস্থিরতা চলছে। দেশটির আইনজীবী ও শিক্ষকদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সরকার প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে দমন-পীড়ন চালানোর পর থেকেই এই সংকটের সূচনা হয়।
মূলত সরকারের সেই পদক্ষেপের পর থেকেই দেশটির বিচ্ছিন্নতাবাদী বিভিন্ন গ্রুপ এক হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে। তারা ক্যামেরুন থেকে আলাদা হয়ে অ্যাম্বাজোনিয়া নামে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠন করতে চায়।
জাতিসংঘের তথ্য জনুযায়ী, সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত প্রায় চার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে প্রাণ বাঁচাতে বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছেন ৭ লাখেরও বেশি মানুষ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে ক্যামেরুনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ভারী অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত সন্ত্রাসীরা গত ১৬ সেপ্টেম্বর দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ব্যামেসিং শহরে এলিট র্যাপিড ইন্টারভেনশন ফোর্সের কনভয়ে হামলা করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিদ্রোহীরা আইইডি এবং অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট লঞ্চার ব্যবহার করে সেনা কনভয়ের গাড়িগুলো ধ্বংস করে দেয় এবং এরপরই প্রবল গুলিবর্ষণ শুরু করে। এতেই সেনা নিহতের ওই ঘটনা ঘটে। এছাড়া গত ১২ সেপ্টেম্বর ওই একই অঞ্চলের কুমবো এলাকায় অবস্থিত সামরিক ঘাঁটিতেও আইইডি দিয়ে হামলা করা হয়।
ক্যামেরুনে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে অস্থিরতা চলছে। দেশটির আইনজীবী ও শিক্ষকদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সরকার প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে দমন-পীড়ন চালানোর পর থেকেই এই সংকটের সূচনা হয়।
মূলত সরকারের সেই পদক্ষেপের পর থেকেই দেশটির বিচ্ছিন্নতাবাদী বিভিন্ন গ্রুপ এক হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে। তারা ক্যামেরুন থেকে আলাদা হয়ে অ্যাম্বাজোনিয়া নামে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠন করতে চায়।
জাতিসংঘের তথ্য জনুযায়ী, সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত প্রায় চার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে প্রাণ বাঁচাতে বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছেন ৭ লাখেরও বেশি মানুষ।