বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সারাদেশে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ২০২২ সালের প্রথম আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে মন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশন থেকে ভবনের আর্কিটেকচারাল বা স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের জন্য পারমিশন নিতে হবে না। একটা জায়গায় ভবন নির্মাণের জন্য রাজউক থেকে অনুমতি নেওয়া হয়েছে, সেটি ওই নির্ধারিত জায়গায় হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে অবহিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কাগজে দেখানো হয়েছে একটা জায়গায় এই বিল্ডিং নির্মাণ করা হবে। এখন ওই বিল্ডিংটি ওই জায়গায় নির্মাণ করা হচ্ছে কি না, ওই ভবনটির যে প্ল্যান আছে, সে প্ল্যান অুনযায়ী হচ্ছে কি না, তা যদি কেউ দেখাশোনা না করে তাহলে কি শহর বসবাসের উপযোগী থাকবে?
এজন্যই মূলত ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনকে যুক্ত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি এক অনুষ্ঠানে সচিবালয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠকে রাজধানীতে যেকোনো অবকাঠামো নির্মাণের সময় রাজউকের পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশন থেকে অনুমোদন নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
সে সময় তিনি বলেন, রাজউকের অনুমোদনের পরও যেকোনো প্রকল্পের কারণে জনগণের অসুবিধা হলে সিটি করপোরেশন সেটি বন্ধ করে দিতে পারবে।