বিশ্বব্যাংকের ১৭ হাজার কোটি ডলারের অর্থসহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় ১৭ হাজার কোটি (১৭০ বিলিয়ন) ডলারের অর্থসহায়তা তহবিলের (প্যাকেজ) ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এর মধ্যে আগামী তিন মাসে ৫০০ কোটি ডলার ব্যয় করা হবে, বাকি অর্থ আগামী বছরে দেওয়া হবে।
মূলত, যুদ্ধ, মহামারি ও মূল্যস্ফীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র দেশগুলোকে এ অর্থ আগামী ১৫ মাসের মধ্যে দেবে সংস্থাটি। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
গত সপ্তাহে শুরু হওয়া বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন সভায় সদস্যদেশগুলোর সঙ্গে এই অর্থসহায়তা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করবে বিশ্বব্যাংক।
দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা করোনার প্রভাবে দেশে দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। তার সঙ্গে বাড়তি চাপ হিসেবে যুক্ত হয়েছে ইউক্রেনে রাশিয়ার সাম্প্রতিক আক্রমণ। এ অবস্থায় সংকট মোকাবিলায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে দ্রুত অর্থসহায়তা দেওয়া প্রয়োজন ছিল বলে জানিয়েছেন বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাস।
বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট জানান, খাদ্য ও জ্বালানির দাম, সুদের উচ্চ হার, ইউক্রেন যুদ্ধ ও করোনার কারণে চীনের সাম্প্রতিক বিধিনিষেধ-এসব বিষয় বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলছে। গত জানুয়ারি মাসে চলতি বছরের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ছিল ৪ দশমিক ১ শতাংশ। সেটি কমে এখন দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ২ শতাংশে।
সাংবাদিকদের ম্যালপাস বলেন, ‘আমি উন্নয়নশীল দেশগুলো নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তারা জ্বালানি, সার ও খাদ্যের জন্য আকস্মিক মূল্যস্ফীতির মুখে পড়েছে। আছে সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা।’ তবে এর মধ্যে খাদ্যসংকটকে সবচেয়ে প্রকট সমস্যা বলে উল্লেখ করেছেন ম্যালপাস। তিনি বলেন, আমদানিনির্ভরতার কারণে দরিদ্র দেশগুলো খাদ্য নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে।
একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে একচেটিয়াভাবে সুদের হারের ওপর নির্ভর না করে অন্য উপায় ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন ম্যালপাস। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে ধনী-গরিবের বৈষম্য বেড়েছে। এ অবস্থায় সুদের হার বাড়ানো হলে বৈষম্য আরও বৃদ্ধি পাবে।
মূলত, যুদ্ধ, মহামারি ও মূল্যস্ফীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র দেশগুলোকে এ অর্থ আগামী ১৫ মাসের মধ্যে দেবে সংস্থাটি। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
গত সপ্তাহে শুরু হওয়া বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন সভায় সদস্যদেশগুলোর সঙ্গে এই অর্থসহায়তা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করবে বিশ্বব্যাংক।
দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা করোনার প্রভাবে দেশে দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। তার সঙ্গে বাড়তি চাপ হিসেবে যুক্ত হয়েছে ইউক্রেনে রাশিয়ার সাম্প্রতিক আক্রমণ। এ অবস্থায় সংকট মোকাবিলায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে দ্রুত অর্থসহায়তা দেওয়া প্রয়োজন ছিল বলে জানিয়েছেন বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাস।
বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট জানান, খাদ্য ও জ্বালানির দাম, সুদের উচ্চ হার, ইউক্রেন যুদ্ধ ও করোনার কারণে চীনের সাম্প্রতিক বিধিনিষেধ-এসব বিষয় বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলছে। গত জানুয়ারি মাসে চলতি বছরের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ছিল ৪ দশমিক ১ শতাংশ। সেটি কমে এখন দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ২ শতাংশে।
সাংবাদিকদের ম্যালপাস বলেন, ‘আমি উন্নয়নশীল দেশগুলো নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তারা জ্বালানি, সার ও খাদ্যের জন্য আকস্মিক মূল্যস্ফীতির মুখে পড়েছে। আছে সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা।’ তবে এর মধ্যে খাদ্যসংকটকে সবচেয়ে প্রকট সমস্যা বলে উল্লেখ করেছেন ম্যালপাস। তিনি বলেন, আমদানিনির্ভরতার কারণে দরিদ্র দেশগুলো খাদ্য নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে।
একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে একচেটিয়াভাবে সুদের হারের ওপর নির্ভর না করে অন্য উপায় ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন ম্যালপাস। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে ধনী-গরিবের বৈষম্য বেড়েছে। এ অবস্থায় সুদের হার বাড়ানো হলে বৈষম্য আরও বৃদ্ধি পাবে।