এর আগে, গত ২৬ মে ডলারের দাম ছিল ৯৭ টাকা ৫০ পয়সা। আর ২৫ মে খোলাবাজারে ডলার লেনদেন হয়েছিল ৯৮ টাকা ৫০ পয়সায়।
বায়তুল মোকাররমের একটি মানি এক্সচেঞ্জের স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম বলেন, "আমরা ৯৪ টাকা দরে ডলার কিনে ৯৫টাকায় বিক্রি করছি"।
নয়া পল্টনের আরেক মানি এক্সচেঞ্জের ম্যানেজার বলেন, লাভ করতে অনেক অর্থ লেনদেন কোম্পানিই ডলার মজুদ করেছে। এখন তারা কম দামে ডলার বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আমদানি বৃদ্ধির কারণে ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার বিক্রি শুরু করে। ১২ মে পর্যন্ত ব্যাংকগুলোতে ৫.১১ বিলিয়ন ডলার রিলিজ করা হয়। গত ১৭ মে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো খোলাবাজারে ডলারের দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়।
২০২১ অর্থবছরে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ৮ বিলিয়ন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
এদিকে, মহামারি পরবর্তী সময়ে আমদানি বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চাপের মুখে পড়েছে।
চলতি বছরের ১১ মে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নেমে আসে ৪১.৯৩ বিলিয়ন ডলারে। যেখানে, গত বছরের আগস্টে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৪৮ বিলিয়ন ডলার।
২০২২ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়কালে রপ্তানি প্রায় ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও বাণিজ্যিক ভারসাম্য বজায় রাখা যায়নি। এসময় ঘাটতি ছিল ২৫ বিলিয়ন ডলার, যা আগের সম্পূর্ণ অর্থবছরের তুলনায় ৯ শতাংশ বেশি।