বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১-২০২২ অর্থবছরের সবশেষ মাস জুনে প্রবাসীরা ১৮৪ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। টাকার অঙ্কে (প্রতি ডলার ৯৩.৪৫ টাকা ধরে) যা ১৭ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বেশি। সদ্যবিদায়ী (২০২১-২২) অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স আসে ১৮৭ কোটি ডলার, আগস্টে ১৮১ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বরে ১৭২ কোটি ডলার, অক্টোবরে ১৬৪ কোটি ডলার, নভেম্বরে ১৫৩ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ১৬৩ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ১৭০ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ১৪৯ কোটি ডলার, মার্চে ১৮৬ কোটি ডলার, এপ্রিলে ২০১ কোটি ডলার এবং মে মাসে ১৮৮ কোটি ৫৩ লাখ (১.৮৮ বিলিয়ন) ডলার।
২০২১-২২ অর্থবছরের একক মাস হিসেবে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে এপ্রিলে (২০১ কোটি ডলার)। আর সবচেয়ে কম এসেছিল ফেব্রুয়ারিতে (১৪৯ কোটি ডলার)।
২০২১-২০২২ অর্থবছরের সবশেষ মাস জুনে ১৮৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আলোচিত সময়ে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে। এ ব্যাংকটির মাধ্যমে জুন মাসে রেমিট্যান্স আসে ৩২ হাজার ২০৫ মিলিয়ন ডলার আর ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪ হাজার ৯২০ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আসে। এর পরেই রয়েছে বেসরকারি ডাচ বাংলা ব্যাংক।
এ ব্যাংকটির মাধ্যমে পুরো অর্থবছরের আসে ২ হাজার ৪৮৯ দশমিক ৫৪ মিলিয়ন ডলার আর সদদ্যবিদায়ী জুন মাসে আসে ১৮৪ দশমিক ৪৯ মিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক এবং বেসরকারি সাউথইস্ট ব্যাংক, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক এবং এনসিসি ব্যাংক।
এদিকে বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে অন্যতম রেমিট্যান্সে সরকারি প্রণোদনার হার ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করা হয়েছে। এছাড়া দেশের বাইরে থেকে বড় অঙ্কের রেমিট্যান্স পাঠানোর শর্তও শিথিল করা হয়েছে। এর আগে ৫ লাখ টাকার বেশি রেমিট্যান্স পাঠালে তার বিপরীতে প্রণোদনা পেতে হলে আয়ের উৎস দেখাতে হতো। এখন সে শর্তও শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।