ভারত থেকে ২৯ টন পেঁয়াজ আমদানি
ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ১৩ দিন পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পুরোনো এলসির টেন্ডার করা ২৯ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে দুটি ভারতীয় পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করে।
ভারতে লিখিত অনুমতি পেতে বেশ কিছুদিন বিলম্ব হওয়ায় পেঁয়াজ কিছুটা নষ্ট হয়েছে বলে জানিয়েছেন আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম।
তিনি জানান, ৭ ডিসেম্বর ভারত সরকার পূর্বঘোষণা ছাড়াই পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এতে চরম বিপাকে পড়তে হয় আমদানিকারকদের। দেশটির রপ্তানিকারকরা পুরোনো এলসির টেন্ডার করা পেঁয়াজ রপ্তানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করলে অনুমতি পান। এর পর কিছু আইনি জটিলতা থাকায় এতদিন রপ্তানি করতে পারেননি।
তিনি বলেন, পেঁয়াজগুলো ভারতের নাশিক, বেঙ্গালুরুসহ বিভিন্ন প্রদেশ থেকে আমদানি করা হয়। সেখান থেকে আসতে অন্তত এক সপ্তাহ সময় লাগে। তা ছাড়া কাগজপত্রের জটিলতায় রপ্তানির জন্য পেঁয়াজগুলো গাড়িতেই আটকে ছিল। এতে পেঁয়াজের গুণগত মান খারাপ হয়েছে। ফলে পাইকাররা কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।
পেঁয়াজের পাইকারি ক্রেতা রজিত আলী বলেন, আমদানির খবরে বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে এসেছি। কিন্তু এসে দেখি, পেঁয়াজে গাছ গজিয়েছে। এ পেঁয়াজ কিনলে লোকসান হবে।
এমআই
ভারতে লিখিত অনুমতি পেতে বেশ কিছুদিন বিলম্ব হওয়ায় পেঁয়াজ কিছুটা নষ্ট হয়েছে বলে জানিয়েছেন আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম।
তিনি জানান, ৭ ডিসেম্বর ভারত সরকার পূর্বঘোষণা ছাড়াই পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এতে চরম বিপাকে পড়তে হয় আমদানিকারকদের। দেশটির রপ্তানিকারকরা পুরোনো এলসির টেন্ডার করা পেঁয়াজ রপ্তানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করলে অনুমতি পান। এর পর কিছু আইনি জটিলতা থাকায় এতদিন রপ্তানি করতে পারেননি।
তিনি বলেন, পেঁয়াজগুলো ভারতের নাশিক, বেঙ্গালুরুসহ বিভিন্ন প্রদেশ থেকে আমদানি করা হয়। সেখান থেকে আসতে অন্তত এক সপ্তাহ সময় লাগে। তা ছাড়া কাগজপত্রের জটিলতায় রপ্তানির জন্য পেঁয়াজগুলো গাড়িতেই আটকে ছিল। এতে পেঁয়াজের গুণগত মান খারাপ হয়েছে। ফলে পাইকাররা কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।
পেঁয়াজের পাইকারি ক্রেতা রজিত আলী বলেন, আমদানির খবরে বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে এসেছি। কিন্তু এসে দেখি, পেঁয়াজে গাছ গজিয়েছে। এ পেঁয়াজ কিনলে লোকসান হবে।
এমআই