ভ্যাকসিন নিতে ৩ লাখ ২৮ হাজার জনের নিবন্ধন
ঢাকাসহ সারাদেশের এক হাজার পাঁচটি হাসপাতালে আগামীকাল রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম একযোগে শুরু হচ্ছে। ভ্যাকসিন নিতে ইতোমধ্যে তিন লাখ ২৮ হাজার জন নিবন্ধন করেছেন। কার্যক্রমের প্রথম দিনেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রী টিকা নেবেন।
শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম।
তিনি বলেন, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী টিকা নেবেন। টিকা নেয়ার আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য অধিদফতরের কার্যালয়ে এসে সারাদেশের কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে কথা বলবেন। তারপর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউটে গিয়ে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।
তিনি আরও বলেন, দুপুর আড়াইটা (৬ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত টিকা নেয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৩ লাখ ২৮ হাজার ১৩ জন। আজ যেসব কেন্দ্র ঘুরে ঘুরে দেখা হয়েছে, সব কেন্দ্রগুলোতে প্রস্তুতি ভালো আছে। আমরা আশা করছি, কোনোরকম প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই আমরা টিকাদানের কাজ শুরু করতে পারব।
এছাড়াও তিনি বলেন, কিছু কিছু ছোট কেন্দ্রে বিশেষত মাতৃসদন, শিশু কেন্দ্রগুলোতে আমাদের কিছুটা প্রস্তুতির ঘাটতি আছে। আশাকরি সন্ধ্যার মধ্যে আমরা এই ঘাটতি সম্পন্ন করতে পারব। আমরা এখানে রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করব এবং সব কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করব। তারপর যেখানে যে সমস্যা আছে আমরা এখান থেকে সমাধান করার চেষ্টা করব।
শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম।
তিনি বলেন, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী টিকা নেবেন। টিকা নেয়ার আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য অধিদফতরের কার্যালয়ে এসে সারাদেশের কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে কথা বলবেন। তারপর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউটে গিয়ে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।
তিনি আরও বলেন, দুপুর আড়াইটা (৬ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত টিকা নেয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৩ লাখ ২৮ হাজার ১৩ জন। আজ যেসব কেন্দ্র ঘুরে ঘুরে দেখা হয়েছে, সব কেন্দ্রগুলোতে প্রস্তুতি ভালো আছে। আমরা আশা করছি, কোনোরকম প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই আমরা টিকাদানের কাজ শুরু করতে পারব।
এছাড়াও তিনি বলেন, কিছু কিছু ছোট কেন্দ্রে বিশেষত মাতৃসদন, শিশু কেন্দ্রগুলোতে আমাদের কিছুটা প্রস্তুতির ঘাটতি আছে। আশাকরি সন্ধ্যার মধ্যে আমরা এই ঘাটতি সম্পন্ন করতে পারব। আমরা এখানে রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করব এবং সব কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করব। তারপর যেখানে যে সমস্যা আছে আমরা এখান থেকে সমাধান করার চেষ্টা করব।