বিএসইসির নজরদারিতে ১১ ব্রোকারেজ হাউস
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বড় দরপতনের ঘটনা ঘটেছে। যে কারনে ১১টি ব্রোকারেজ হাউজের ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। পাশাপাশি বড় দর পতনের পেছনে কোনো কারসাজি রয়েছে কি-না তাও খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
রবিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ডিএসইর সার্ভিলেন্স বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। এ বৈঠকে সভাপতিত্বে করেন বিএসইসি কমিশনার অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৮টি কোম্পানির শেয়ার বিক্রির চাপের কারণে বড় দর পতনের ঘটনা ঘটেছে। আর ১১টি ব্রোকারেজ হাউজ থেকে ওই ৮টি কোম্পানির শেয়ার বিক্রির চাপ ছিল বলে লক্ষ্য করেছে বিএসইসির সার্ভিলেন্স বিভাগ। ওই ৮টি কোম্পানির শেয়ার বিক্রির চাপে সূচক কমেছে ৮০ পয়েন্ট।
রোববার ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ১৪২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫০৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসই–৩০ সূচক ২৫ পয়েন্ট কমে এক হাজার ২৩৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এছাড়া ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৮২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯২ পয়েন্টে অবস্থান করেছে।
আজ ডিএসইতে ৭৭১ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। যা বৃহস্পতিবার থেকে ৫৭ কোটি ৯৮ লাখ লাখ টাকা কম। বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছিল ৭১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকার।
রবিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ডিএসইর সার্ভিলেন্স বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। এ বৈঠকে সভাপতিত্বে করেন বিএসইসি কমিশনার অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৮টি কোম্পানির শেয়ার বিক্রির চাপের কারণে বড় দর পতনের ঘটনা ঘটেছে। আর ১১টি ব্রোকারেজ হাউজ থেকে ওই ৮টি কোম্পানির শেয়ার বিক্রির চাপ ছিল বলে লক্ষ্য করেছে বিএসইসির সার্ভিলেন্স বিভাগ। ওই ৮টি কোম্পানির শেয়ার বিক্রির চাপে সূচক কমেছে ৮০ পয়েন্ট।
রোববার ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ১৪২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫০৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসই–৩০ সূচক ২৫ পয়েন্ট কমে এক হাজার ২৩৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এছাড়া ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৮২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯২ পয়েন্টে অবস্থান করেছে।
আজ ডিএসইতে ৭৭১ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। যা বৃহস্পতিবার থেকে ৫৭ কোটি ৯৮ লাখ লাখ টাকা কম। বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছিল ৭১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকার।