গণপরিবহন চালুর দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
গণপরিবহন চালু করাসহ তিন দফা দাবিতে রোববার (০২ মে) সকাল থেকে দেশের সব টার্মিনালে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করছেন পরিবহনশ্রমিকেরা। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজি, পিকআপ চললে গণপরিবহন চলবে না কেন।
ফেডারেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সড়ক পরিবহনের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৫০ লাখ শ্রমিক বেকার। এতে তাঁদের জীবিকা নির্বাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে তাঁরা দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন। পরিবহনশ্রমিকেরা রাস্তায় নেমে এলে তার দায়দায়িত্ব ফেডারেশন নেবে না।
রোববার (০২ মে) সকাল ১০টার দিকে গাবতলীতে ঢাকা জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্বে পরিবহনশ্রমিকেরা বিক্ষোভে অংশ নেন। বিক্ষোভ শেষে গাবতলী ও এর আশপাশ এলাকায় পরিবহনশ্রমিকেরা মিছিল করেন।
ইউনিয়নের সভাপতি মো. আব্বাস উদ্দিন গণমাধ্যমে বলেন, তাঁদের তিনটি দাবি, এগুলো হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে মোট আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহন চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে, সড়ক পরিবহনশ্রমিকদের আর্থিক অনুদান ও খাদ্যসহায়তা দিতে হবে এবং সারা দেশে বাস ও ট্রাক টার্মিনালগুলোতে পরিবহনশ্রমিকদের জন্য ১০ টাকায় ওএমএসের চাল দিতে হবে।
ফেডারেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সড়ক পরিবহনের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৫০ লাখ শ্রমিক বেকার। এতে তাঁদের জীবিকা নির্বাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে তাঁরা দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন। পরিবহনশ্রমিকেরা রাস্তায় নেমে এলে তার দায়দায়িত্ব ফেডারেশন নেবে না।
রোববার (০২ মে) সকাল ১০টার দিকে গাবতলীতে ঢাকা জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্বে পরিবহনশ্রমিকেরা বিক্ষোভে অংশ নেন। বিক্ষোভ শেষে গাবতলী ও এর আশপাশ এলাকায় পরিবহনশ্রমিকেরা মিছিল করেন।
ইউনিয়নের সভাপতি মো. আব্বাস উদ্দিন গণমাধ্যমে বলেন, তাঁদের তিনটি দাবি, এগুলো হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে মোট আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহন চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে, সড়ক পরিবহনশ্রমিকদের আর্থিক অনুদান ও খাদ্যসহায়তা দিতে হবে এবং সারা দেশে বাস ও ট্রাক টার্মিনালগুলোতে পরিবহনশ্রমিকদের জন্য ১০ টাকায় ওএমএসের চাল দিতে হবে।