৫০ কোটি টাকার ক্রিস্টালমেথসহ গ্রেফতার ৫
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থেকে ১২ কেজি অবৈধ মাদক আইসসহ (ক্রিস্টালমেথ) ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। জব্দ হওয়া এই আইসের বাজার মূল্য ৫০ কোটি টাকার বেশি।
র্যাব জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত জব্দ হওয়া চালানগুলোর মধ্যে এটি সর্ববৃহৎ। গ্রেফতারদের কাছ থেকে অন্যান্য মাদকদ্রব্য ও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রও জব্দ করা হয়।
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) বেলা ১১টায় কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
র্যাব জানায়, বর্তমান সময়ে সবচেয়ে আলোচিত মাদক হলো আইস বা ক্রিস্টালমেথ। ক্রিস্টালমেথ বা আইসে ইয়াবার মূল উপাদান এমফিটামিনের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। তাই মানবদেহে ইয়াবার চেয়েও অনেক বেশি ক্ষতি করে এই আইস। এটি সেবনের ফলে অনিদ্রা, অতি উত্তেজনা, স্মৃতিভ্রম, মস্তিষ্ক বিকৃতি, স্ট্রোক, হৃদরোগ, কিডনি ও লিভার জটিলতা এবং মানসিক অবসাদ ও বিষণ্ণতা তৈরি হয়। ফলে আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। শারীরিক ও মানসিক উভয় ক্ষেত্রে এর নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। এই মাদক প্রচলনের ফলে তরুণ-তরুণীদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং অস্বাভাবিক আচরণ করতে দেখা যায়। মাদকাসক্তরা নানা অপরাধে জড়িত হয়ে পড়ছে।
র্যাব জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত জব্দ হওয়া চালানগুলোর মধ্যে এটি সর্ববৃহৎ। গ্রেফতারদের কাছ থেকে অন্যান্য মাদকদ্রব্য ও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রও জব্দ করা হয়।
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) বেলা ১১টায় কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
র্যাব জানায়, বর্তমান সময়ে সবচেয়ে আলোচিত মাদক হলো আইস বা ক্রিস্টালমেথ। ক্রিস্টালমেথ বা আইসে ইয়াবার মূল উপাদান এমফিটামিনের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। তাই মানবদেহে ইয়াবার চেয়েও অনেক বেশি ক্ষতি করে এই আইস। এটি সেবনের ফলে অনিদ্রা, অতি উত্তেজনা, স্মৃতিভ্রম, মস্তিষ্ক বিকৃতি, স্ট্রোক, হৃদরোগ, কিডনি ও লিভার জটিলতা এবং মানসিক অবসাদ ও বিষণ্ণতা তৈরি হয়। ফলে আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। শারীরিক ও মানসিক উভয় ক্ষেত্রে এর নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। এই মাদক প্রচলনের ফলে তরুণ-তরুণীদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং অস্বাভাবিক আচরণ করতে দেখা যায়। মাদকাসক্তরা নানা অপরাধে জড়িত হয়ে পড়ছে।