গণ টিকাদান শুরু ৭ ফেব্রুয়ারি
করোনাভাইরাসে সংক্রমণ রোধে ৭ ফেব্রুয়ারি গণ টিকাদান শুরু হচ্ছে। এ দিন টিকা নিচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও স্বাস্থ্য অধিদফতর মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম।
বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরে টিকা কর্মসূচির প্রস্তুতিমূলক সভায় বিভিন্ন হাসপাতাল পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের তথ্য জানান অধিদফতরের মহাপরিচালক।
এসময় আবুল বাশার খুরশীদ আলম বলেন, ‘গণ টিকাদান শুরুর দিন পিএম অফিসের কর্মকর্তা, এমপি, মন্ত্রীরাও টিকা নেবেন। কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়নে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা কেউ কর্মস্থল ত্যাগ বা ছুটি নিতে পারবেন না।’
খুরশীদ আলম জানান, সক্ষমতা অনুযায়ী হাসপাতালগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা টিকাদান কার্যক্রম এগিয়ে নিতে প্রস্তুত। এরইমধ্যে তাদের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে।
টিকার জন্য বুধবার সকাল পর্যন্ত ৭৪ হাজার মানুষ নিবন্ধন করেছেন জানিয়ে খুরশিদ আলম বলেন, ‘এই নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া, ৫ ফেব্রুয়ারির পরেও নিবন্ধন চলবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৭ জানুয়ারি ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে করোনাভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এরপর টিকার নিবন্ধনের জন্য সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন (www.surokkha.gov.bd) সীমিত আকারে উন্মুক্ত করা হয়।
বাংলাদেশ প্রয়োগ করা হচ্ছে অক্সফোর্ডের উদ্ভাবিত টিকা, যেটির জোগান দিচ্ছে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট।
গত ২৫ জানুয়ারি সিরাম ইনস্টিটিউটের পাঠানো ৫০ লাখ টিকা দেশে আসে। এছাড়া, ভারত সরকার উপহার দিয়েছে আরও ২০ লাখ ডোজ।
উল্লেখ্য, প্রথম ধাপে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও সশস্ত্র বাহিনী, মুক্তিযোদ্ধা, প্রবীণ, জনপ্রতিনিধি, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের টিকা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সরকার।
বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরে টিকা কর্মসূচির প্রস্তুতিমূলক সভায় বিভিন্ন হাসপাতাল পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের তথ্য জানান অধিদফতরের মহাপরিচালক।
এসময় আবুল বাশার খুরশীদ আলম বলেন, ‘গণ টিকাদান শুরুর দিন পিএম অফিসের কর্মকর্তা, এমপি, মন্ত্রীরাও টিকা নেবেন। কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়নে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা কেউ কর্মস্থল ত্যাগ বা ছুটি নিতে পারবেন না।’
খুরশীদ আলম জানান, সক্ষমতা অনুযায়ী হাসপাতালগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা টিকাদান কার্যক্রম এগিয়ে নিতে প্রস্তুত। এরইমধ্যে তাদের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে।
টিকার জন্য বুধবার সকাল পর্যন্ত ৭৪ হাজার মানুষ নিবন্ধন করেছেন জানিয়ে খুরশিদ আলম বলেন, ‘এই নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া, ৫ ফেব্রুয়ারির পরেও নিবন্ধন চলবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৭ জানুয়ারি ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে করোনাভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এরপর টিকার নিবন্ধনের জন্য সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন (www.surokkha.gov.bd) সীমিত আকারে উন্মুক্ত করা হয়।
বাংলাদেশ প্রয়োগ করা হচ্ছে অক্সফোর্ডের উদ্ভাবিত টিকা, যেটির জোগান দিচ্ছে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট।
গত ২৫ জানুয়ারি সিরাম ইনস্টিটিউটের পাঠানো ৫০ লাখ টিকা দেশে আসে। এছাড়া, ভারত সরকার উপহার দিয়েছে আরও ২০ লাখ ডোজ।
উল্লেখ্য, প্রথম ধাপে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও সশস্ত্র বাহিনী, মুক্তিযোদ্ধা, প্রবীণ, জনপ্রতিনিধি, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের টিকা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সরকার।