অনলাইন পেমেন্টের যুগে প্রবেশ করল শুল্ক বিভাগ
অনলাইন পেমেন্টের যুগে প্রবেশ করল শুল্ক বিভাগ। ১ জুলাই নতুন এই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির ই-পেমেন্ট সেবা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। দুই লাখ টাকার বেশি শুল্ক-কর পরিশোধে মিলবে সেবাটি। দেশের সব কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশন ব্যবহারকারী প্রত্যেক আমদানিকারককের জন্য ই-পেমেন্ট সেবাটি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত শুধু দুই লাখ টাকার বেশি শুল্ক-কর হলেই ই-পেমেন্ট করতে হবে। তবে নতুন অর্থবছর শুরু হওয়ার ছয় মাস পর, অর্থাৎ ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ই-পেমেন্টের মাধ্যমে শুল্ক-কর পরিশোধের সীমা থাকবে না। সব আমদানিকারককেই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হবে।
গত ৩ জুন বাজেট ঘোষণার সময় ই-পেমেন্ট চালুর ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অবশ্য এ জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগেই প্রস্তুতি নেয়। যেমন গত এপ্রিল মাস থেকে রাজধানীর কমলাপুর আইসিডিতে এসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে শুল্ক-কর ও মাশুল পরিশোধের ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়।
ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু হলে আমদানি পণ্য খালাসে সময় কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। অবশ্য রপ্তানিকালেও কোনো শুল্ক–কর পরিশোধ করতে হলে তা এভাবে অনলাইনে সম্পন্ন করা যাবে।
আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত শুধু দুই লাখ টাকার বেশি শুল্ক-কর হলেই ই-পেমেন্ট করতে হবে। তবে নতুন অর্থবছর শুরু হওয়ার ছয় মাস পর, অর্থাৎ ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ই-পেমেন্টের মাধ্যমে শুল্ক-কর পরিশোধের সীমা থাকবে না। সব আমদানিকারককেই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হবে।
গত ৩ জুন বাজেট ঘোষণার সময় ই-পেমেন্ট চালুর ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অবশ্য এ জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগেই প্রস্তুতি নেয়। যেমন গত এপ্রিল মাস থেকে রাজধানীর কমলাপুর আইসিডিতে এসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে শুল্ক-কর ও মাশুল পরিশোধের ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়।
ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু হলে আমদানি পণ্য খালাসে সময় কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। অবশ্য রপ্তানিকালেও কোনো শুল্ক–কর পরিশোধ করতে হলে তা এভাবে অনলাইনে সম্পন্ন করা যাবে।