শীতে লবণ জলে গোসল করার ৫ উপকারিতা
শীতকাল মানেই গরম পানিতে গোসল। তবে এই গরম পানিতে অল্প লবণ ঢাললেই হাজার উপকার আছে। শীতের সময় যা না হলেই নয়। ভারতের হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক লবণ জলে গোসল করার ৫ উপকারিতা
১. শীতকালে ঘন ঘন মেজাজ খারাপ হতে থাকে। এর পিছনে অবশ্য বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। সেই মনখারাপ ভালো করে দিতে পারে লবণ পানিতে গোসল।
২. শীতকালে বয়স্করা প্রায়ই গাঁট ও পেশির ব্যথাতে ভোগেন। গরম পানিতে গোসল করলে যেন অনেকটা আরাম পাওয়া যায়। কিন্তু পানিতে একটু লবণ মিশিয়ে নিলে আরও ভালো হয় । গাঁটের ব্যথা থেকে পেশির ব্যথা অনেকটাই কমে যায়।
৩. শীত পড়তেই ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হতে থাকে। এই সময় ত্বককে বাঁচাতে আমরা নানা ক্রিম মাখি। এমনকী ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে বিশেষ খাবার খাই। কিন্তু গরম পানিতে এক চামচ নুন ঢেলে নিলেই ত্বক দারুণ থাকবে।
৪. ত্বকের উপরে একটি প্রাকৃতিক আবরণ থাকে। এই আবরণকে রক্ষা করে নোনা পানি। লবণের মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি খনিজ পদার্থ। ত্বকের জন্য এই খনিজগুলি বিশেষভাবে জরুরি। ফলে ত্বক পুষ্টও হয়।
৫. সাধারণ সাদা লবণ জলে মেশালে হবে না। সাদা লবণের বদলে ব্যবহার করতে হবে সামুদ্রিক লবণ। এতে খনিজের পরিমাণও অনেকটাই বেশি। ফলে দ্রুত উপকার পাবেন।
অর্থসংবাদ/এমআই
১. শীতকালে ঘন ঘন মেজাজ খারাপ হতে থাকে। এর পিছনে অবশ্য বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। সেই মনখারাপ ভালো করে দিতে পারে লবণ পানিতে গোসল।
২. শীতকালে বয়স্করা প্রায়ই গাঁট ও পেশির ব্যথাতে ভোগেন। গরম পানিতে গোসল করলে যেন অনেকটা আরাম পাওয়া যায়। কিন্তু পানিতে একটু লবণ মিশিয়ে নিলে আরও ভালো হয় । গাঁটের ব্যথা থেকে পেশির ব্যথা অনেকটাই কমে যায়।
৩. শীত পড়তেই ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হতে থাকে। এই সময় ত্বককে বাঁচাতে আমরা নানা ক্রিম মাখি। এমনকী ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে বিশেষ খাবার খাই। কিন্তু গরম পানিতে এক চামচ নুন ঢেলে নিলেই ত্বক দারুণ থাকবে।
৪. ত্বকের উপরে একটি প্রাকৃতিক আবরণ থাকে। এই আবরণকে রক্ষা করে নোনা পানি। লবণের মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি খনিজ পদার্থ। ত্বকের জন্য এই খনিজগুলি বিশেষভাবে জরুরি। ফলে ত্বক পুষ্টও হয়।
৫. সাধারণ সাদা লবণ জলে মেশালে হবে না। সাদা লবণের বদলে ব্যবহার করতে হবে সামুদ্রিক লবণ। এতে খনিজের পরিমাণও অনেকটাই বেশি। ফলে দ্রুত উপকার পাবেন।
অর্থসংবাদ/এমআই