Ortho Songbad আর্কাইভ

ভারতে আট মাসের সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি

ভারতে আট মাসের সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি
ভারতের পাইকারি বাজারে বেড়েছে মূল্যস্ফীতির পরিমাণ। চলতি বছর প্রথমবারের মতো বাড়া মূল্যস্ফীতি গত আট মাসের সর্বোচ্চে শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। সম্প্রতি দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। খবর মানি কন্ট্রোল।

নভেম্বরে খুচরা সূচকের সার্বিক (হেডলাইন) মূল্যস্ফীতি তিন মাসের সর্বোচ্চে ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশে উন্নীত হয়। এর পরই পাইকারি মূল্য সূচক (হোলসেল প্রাইস ইনডেক্স) পরিবর্তনের এ তথ্য প্রকাশ্যে এল।

তবে জুলাইয়ে ১৫ মাসের সর্বোচ্চে থাকা ৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ খুচরা মূল্যস্ফীতির তুলনায় এটি ১৮৯ বেসিস পয়েন্ট কম। একই সময়ে পাইকারি মূল্যস্ফীতি ১৪৯ বেসিস পয়েন্ট বেড়েছে।

ভোক্তামূল্যের মতো নভেম্বরে পাইকারি মূল্য সূচকও মাসওয়ারি হিসাবে দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। মূলত খাদ্যমূল্য সূচক ১ দশমিক ৯ শতাংশ বাড়ায় এ প্রভাব পড়েছে। খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে মাসওয়ারি হিসাবে কাঁচা সবজির মূল্য সূচক ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া পেঁয়াজের সূচকও বেড়েছে ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে ফলের ১ দশমিক ৭, গমের ১ দশমিক ৬ ও ডালের সূচক ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে নভেম্বরে খাদ্যদ্রব্যের পাইকারি মূল্য সূচক ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। যেখানে অক্টোবরে এর হার ছিল ১ দশমিক ৭ শতাংশ।

একই সময়ে তৈরি পণ্যের দামেও কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। মাসওয়ারি হিসাবে এর হার দশমিক ১ শতাংশ। পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামালের দাম নিম্নমুখী থাকায় তৈরি পণ্যের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

পাইকারি মূল্য সূচকের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই তৈরি পণ্যের দামের ওপর নির্ভরশীল। এসব পণ্যের মূল্য সূচক তিন মাস ধরে স্থিতিশীল।

নভেম্বরে পাইকারি মূল্যস্ফীতি শূন্য থেকে ওপরে উঠলেও ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম আট মাস তা - (মাইনাস) ১ দশমিক ৩৩ শতাংশে ছিল। সামনের মাসগুলোয় এ সূচকে উন্নতির আশা করা হলেও অর্থনীতিবিদদের মতে সামগ্রিকভাবে তা ১ শতাংশের আশপাশে থাকবে।

অর্থসংবাদ/এমআই

মুল সাইট থেকে

পুজিবাজার