রপ্তানীমুখী শিল্পে প্রযুক্তি উন্নয়নে ১০০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম

রপ্তানীমুখী শিল্পে প্রযুক্তি উন্নয়নে ১০০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম
২০২৪ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে নতুন স্কিম গঠন করা হয়েছে। যার নাম দেয়া হয়েছে ‘রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের জন্য পুনঃঅর্থায়ন তহবিল’। রপ্তানিমুখী শিল্পের প্রযুক্তি উন্নয়নে এক হাজার কোটি টাকার এই পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের উৎস হবে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আবর্তনশীল এই তহবিলের আকার হবে মোট এক হাজার কোটি টাকা। এর সুবিধাভোগী হবেন, রপ্তানি নীতি ২০১৮-২১-এর আওতাধীন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ও বিশেষ উন্নয়নমূলক খাত। তহবিলের সার্বিক উদ্দেশ্য হবে রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন সাধন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, এই তহবিলের সুবিধা নেয়ার জন্য প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে অংশগ্রহণমূলক একাটি চুক্তি করতে হবে। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পার্টিসিপেটিং ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন (পিএফআই) হিসেবে গণ্য করা হবে। গ্রাহক পর্যায়ে এই তহবিলের ঋণের সুদহার হবে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ। তবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ১ শতাংশ সুদ আদায় করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণের মেয়াদ পাঁচ বছরের কম হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুনাফার সঙ্গে সর্বোচ্চ ২ শতাংশ মার্জিন সুদ আদায় করতে পারবে ব্যাংক। পাঁচ বছরের বেশি কিন্তু আট বছরের কম মেয়াদি ঋণের সুদ হার হবে সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ শতাংশ এবং আট বছরের বেশি কিন্তু ১০ বছরের কম হলে সেই ঋণের সুদ হবে সব মিলিয়ে ৪ শতাংশ।

এই তহবিল থেকে ঋণ নিতে হলে ঋণ-মূলধনের অনুপাত হতে হবে ৭০: ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ ৩০ শতাংশ মূলধনের বিপরীতে ৭০ শতাংশ ঋণ নিতে পারবে গ্রাহক। এছাড়া যেসব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১০ শতাংশের বেশি, তারা এই তহবিল ব্যবহার করে ঋণ নিতে পারবে না। পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা পেতে আবেদনের সময় মূলধন পর্যাপ্ততা, সংস্থান সংরক্ষণ, নগদ সংরক্ষণ হার (সিআরআর) ও বিধিবদ্ধ তরল সম্পদ সংরক্ষণ হার (এসএলআর) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত হারে সংরক্ষণ করতে হবে। ক্যামেলস রেটিং হতে হবে ন্যূনতম ৩ শতাংশ।

আর্কাইভ থেকে

আরও পড়ুন

চারদিনের ছুটিতে ব্যাংক ও পুঁজিবাজার
ইসলামী ব্যাংকে এস আলমপন্থি ২০০ কর্মকর্তা বরখাস্ত, ওএসডি ৫ হাজার
বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন পরীক্ষা নিয়ে ইসলামী ব্যাংকের বক্তব্য
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ৫৪ গ্রাহকের টাকা উধাও
পাঁচ ব্যাংক চূড়ান্তভাবে একীভূত করতে বসছে প্রশাসক
ডিজিটাল ব্যাংক খোলার আবেদনের সময় বাড়ল
একীভূতকরণে তিন ব্যাংকের সম্মতি, সময় চায় দুটি
একীভূত হতে রাজি গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন এমডি ও সিইও হলেন তারেক রেফাত উল্লাহ খান
ঋণ, ওভারড্রাফট ও গ্যারান্টির জন্য মাস্টার সার্কুলার জারি