চাহিদা কমাতে স্বর্ণের আমদানি শুল্ক বাড়িয়েছে ভারত
স্বর্ণের আমদানি শুল্ক বাড়িয়েছে ভারত। মূল্যবান ধাতুটির চাহিদা দুর্বল করার মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্বের শীর্ষ স্বর্ণ ব্যবহারকারী দেশটি। সম্প্রতি ভারত সরকার ধাতুটির আমদানি শুল্ক ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশে উন্নীত করে। খবর মাইনিং ডটকম।
শুল্ক বাড়ানোর পরই দেশটিতে স্বর্ণের দাম দুই মাসের সর্বোচ্চে আরোহণ করে। ১০ গ্রাম স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৩২ রুপিতে।
তথ্য বলছে, দেশীয় স্বর্ণের চাহিদার সিংহভাগই আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে ভারত। এটি রুপির ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি রুপিতে রেকর্ড দরপতন দেখা দিয়েছে।
ইন্ডাস্ট্রিসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, শুল্ক বাড়ানোর ফলে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। নিম্নমুখী হয়েছে চাহিদা। তবে এ পরিস্থিতিতে স্বর্ণের চোরাচালান বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। এদিকে শুল্ক বাড়ানোর পর ডিলাররা প্রতি আউন্স স্বর্ণে ৪০ ডলার পর্যন্ত ডিসকাউন্ট দিচ্ছেন।
রিদ্ধিসিদ্ধি বুলিয়নসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পৃথ্বিরাজ কোঠারি বলেন, হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় চলতি মাসে ভারতের বাজারে স্বর্ণালংকারের চাহিদা কমবে।
তথ্য বলছে, মে মাসে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি ৬৫৩ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ২ হাজার ৪২৯ ডলারে উন্নীত হয়েছে। এর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ আমদানি। মে মাসে ভারত ৬০০ কোটি ডলারের স্বর্ণ আমদানি করে। গত বছরের একই সময় আমদানি করা হয়েছিল ৬৭ কোটি ৮০ ডলারের স্বর্ণ।
শুল্ক বাড়ানোর পরই দেশটিতে স্বর্ণের দাম দুই মাসের সর্বোচ্চে আরোহণ করে। ১০ গ্রাম স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৩২ রুপিতে।
তথ্য বলছে, দেশীয় স্বর্ণের চাহিদার সিংহভাগই আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে ভারত। এটি রুপির ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি রুপিতে রেকর্ড দরপতন দেখা দিয়েছে।
ইন্ডাস্ট্রিসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, শুল্ক বাড়ানোর ফলে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। নিম্নমুখী হয়েছে চাহিদা। তবে এ পরিস্থিতিতে স্বর্ণের চোরাচালান বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। এদিকে শুল্ক বাড়ানোর পর ডিলাররা প্রতি আউন্স স্বর্ণে ৪০ ডলার পর্যন্ত ডিসকাউন্ট দিচ্ছেন।
রিদ্ধিসিদ্ধি বুলিয়নসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পৃথ্বিরাজ কোঠারি বলেন, হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় চলতি মাসে ভারতের বাজারে স্বর্ণালংকারের চাহিদা কমবে।
তথ্য বলছে, মে মাসে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি ৬৫৩ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ২ হাজার ৪২৯ ডলারে উন্নীত হয়েছে। এর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ আমদানি। মে মাসে ভারত ৬০০ কোটি ডলারের স্বর্ণ আমদানি করে। গত বছরের একই সময় আমদানি করা হয়েছিল ৬৭ কোটি ৮০ ডলারের স্বর্ণ।