২০২০ সালে কাতার ইনভেস্টমেন্ট অথরিটি আদানি ইলেকট্রিসিটিতে ৪৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ করে। নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ খাতে এর আগেও বড় ধরনের বিনিয়োগ এসেছে। হিনডেনবার্গ প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর আদানি গ্রিন এনার্জির ৬ দশমিক ৩২ শতাংশ অংশীদারি কিনে নেয় অস্ট্রেলিয়ার জিকিউজি পার্টনার্স। কোম্পানিটির বাজার মূলধন দেড় লাখ কোটি রুপি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে আদানি গ্রিনের মুনাফা বেড়েছে ৫১ শতাংশ।
আদানি গ্রিনের নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৮ দশমিক ৩ গিগাওয়াট। ২০৩০ সালের মধ্যে তারা ৪৫ গিগাওয়াট সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করেছে। হিন্ডেনবার্গ প্রতিবেদনের পর আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারের দরপতন ঘটে। বাজার মূলধন কমে যায় ১০০ কোটি ডলার। সম্প্রতি আদানি গোষ্ঠীর মালিকানাধীন আম্বুজা সিমেন্ট সঙ্ঘি ইন্ডাস্ট্রিজের অংশীদারি কিনে নিয়েছে।
আদানি গোষ্ঠী সঙ্ঘি ইন্ডাস্ট্রিজের কাছ থেকে ৫৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ অংশীদারি কিনে। সেজন্য তাদের ব্যয় হয়েছে ৫ হাজার কোটি রুপি। শেয়ারবাজার থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে থাকা আরো ২৬ শতাংশ শেয়ার কেনার পরিকল্পনা আছে তাদের। তাতে আরো ৭৬৭ দশমিক ১৫ কোটি রুপি খরচ হতে পারে। এ কেনাবেচা সম্পন্ন হলে সব মিলিয়ে সঙ্ঘি ইন্ডাস্ট্রিজের ৮২ দশমিক ৭৪ শতাংশ শেয়ার অম্বুজা সিমেন্টসের হাতে থাকবে।
অর্থসংবাদ/এমআই