জানা গেছে, বর্তমানে ছয় শতাধিক শ্রমিক ঠাকুরগাঁও সুগার মিলে কাজ করেন। চলতি মৌসুমে আখ মাড়াই কার্যক্রম সফল করতে পুরনো যন্ত্রপাতি মেরামতে তারা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। যদিও পাঁচ মাস ধরে শ্রমিকদের বেতন বকেয়া রয়েছে। এ অবস্থায় পরিবার নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তারা। এছাড়া খোলা বাজারের চেয়ে মিলের চিনির দাম বেশি হওয়ায় গোডাউনেই পড়ে আছে ২ হাজার ৯০০ টন চিনি। সময়মতো চিনি বিক্রি না হওয়ায় গুণগত মান নষ্টের পাশাপাশি লোকসানের পাল্লাও ভারী হচ্ছে।
সূত্রটি জানায়, ১৯৫৮-৫৯ মৌসুমে মিলটি আখ মাড়াই কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে যাত্রার পর থেকেই লোকসানের বোঝা টানছে। কর্তৃপক্ষ আখ আবাদে চাষীদের উদ্বুদ্ধ করলেও সময়মতো টাকা দিতে না পারায় হয়রানির শিকার হয়ে আখ উৎপাদনে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন চাষীরা। ফলে মিলটি অন্যান্য বছরের মতো চলতি মৌসুমেও কাঙ্ক্ষিত আখ মাড়াই কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে।
সুগার মিল শ্রমিকরা বলছেন, দীর্ঘ পাঁচ মাস ধরে বেতন বন্ধ রয়েছে। একদিকে করোনা মহামারীর কারণে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে গেছে, অন্যদিকে বেতন বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় পরিবার নিয়ে চরম সংকটে দিন পার করতে হচ্ছে। এছাড়া পুরনো যন্ত্রপাতি দিয়েই কার্যক্রম পরিচালনা করায় বারবার লোকসান গুনতে হচ্ছে।